জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনী আস্থার প্রতীক: কর্নেল মঈনুল হক।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আজ শুক্রবার,৩০ মে ২০২৫:

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনী পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার কারণে আন্তর্জাতিক  পরিসরে আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অসামরিক ও সামরিক সংযোগ পরিদপ্তরের কর্নেল স্টাফ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল মোহাম্মদ মঈনুল হক।

একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের সেনাসদস্যরা সবসময় প্রশিক্ষণে থাকে।

আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশন বিপসট-এর মাধ্যমে আমরা জাতিসংঘের মানদণ্ডে প্রস্তুত হই।” তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ জাতিসংঘে বড় আকারে ফোর্স পাঠানো অনেক দেশ এখন বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ নিতে আসে এবং বাংলাদেশ থেকেও প্রশিক্ষক পাঠানো হয়।

কর্নেল মঈনুল বলেন, “আমরা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহড়ায় অংশ নিই। আমেরিকার সঙ্গে 'টাইগার লাইটনিং', ভারতের সঙ্গে 'সম্প্রীতি', নেপালের 'শান্তি প্রয়াস', বাংলাদেশের 'শান্তির দূত' ও 'শান্তির অগ্রসেনা' মহড়াগুলো আমাদের প্রস্তুতির প্রমাণ। মাল্টিন্যাশনাল ফোর্সগুলো এসব মহড়ায় অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশে জাতিসংঘ পরিবেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা লাভ করে।”

তিনি বলেন, “সারা বিশ্ব এখন আমাদের কাছ থেকে শিখতে চায়। বিপসটে প্রশিক্ষণের জন্য নেদারল্যান্ডস ইতোমধ্যে পাঁচ বছরের চুক্তি করেছে। এটি বাংলাদেশের জন্য গৌরবের।”

মালি মিশনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “জটিল ও সংঘাতপূর্ণ এলাকায় অনেক ব্যাটালিয়ন যেতে চায় না, কিন্তু বাংলাদেশি ফোর্স সেখানে দায়িত্ব পালনে কখনো পিছপা হয় না। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা যেখানে থাকে,সেখানকার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়—এই বিশ্বাস থেকেই জাতিসংঘ বাংলাদেশকে আস্থার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পেশাদারিত্ব, মানবিকতা এবং কর্তব্যপরায়ণতাই আজ বিশ্ব দরবারে আমাদের সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে এসেছে।”

মতামত দিন