ঈদযাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাংলাদেশ পুলিশের সাত পরামর্শ।
আজ বৃহস্পতিবার ২৯ মে ২০২৫:
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘিরে ঘরমুখো মানুষের যাত্রাপথ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব পরামর্শ দেওয়া হয়।
ভ্রমণের পরিকল্পনায় সচেতনতা জরুরি
পুলিশ জানিয়েছে, ঈদের আগে ও পরে পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে যাত্রার পরিকল্পনা করলে শেষ মুহূর্তের ভিড় ও বিড়ম্বনা এড়ানো সম্ভব হবে। বাস, ট্রেন বা লঞ্চের টিকিট সংগ্রহ এবং যাত্রার সময় নির্ধারণে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অনিরাপদ বাহনে ভ্রমণ নয়
নসিমন, করিমন, ভটভটি ইত্যাদি অনিরাপদ বাহনে হাইওয়েতে চলাচল থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে চালককে অতিরিক্ত গতি দিতে চাপ না দিতে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিং যেন না করে, সে বিষয়ে যাত্রীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ফিটনেসবিহীন যান এড়িয়ে চলুন
ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়ে বলা হয়েছে, এসব গাড়িতে যাত্রা জীবনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
অপেশাদার চালক যেন না চালায়
অপেশাদার, ক্লান্ত বা অসুস্থ চালক যেন যানবাহন চালাতে না পারে তা নিশ্চিত করতে যাত্রীদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
নৌযানে জরুরি সরঞ্জামের ব্যবস্থা
নৌযান মালিকদের জন্য বয়া ও লাইফ জ্যাকেটসহ ১০০–১৫০ ফুট লম্বা দড়ি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার সময় উদ্ধার তৎপরতা সহজ হয়।
অপরিচিতের খাবার নয়
ঘাট, টার্মিনাল বা রেলস্টেশনে অপরিচিত ব্যক্তি বা হকারদের দেওয়া খাবার—যেমন ডাব, শরবত বা কোমল পানীয়—গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। অজ্ঞান পার্টি বা প্রতারক চক্রের সদস্যদের বিষয়ে সজাগ থাকতে বলা হয়।
সন্দেহ হলে ৯৯৯ এ কল দিন
যাত্রাপথে কারও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করার এবং প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আশেপাশের যাত্রীদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও সহায়ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা মেনে চললে ঈদযাত্রা হতে পারে অধিকতর নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক।

মতামত দিন