জাতীয়
ছবি: সংগৃহীত

অভিমান থেকে পদত্যাগে আগ্রহ, উপদেষ্টাদের অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলালেন ড. ইউনূস।

চতুর্মুখী চাপ ও চলমান রাজনৈতিক টানাপোড়েনে অভিমানবশত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস।বৃহস্পতিবার (২২ মে) সন্ধ্যায় উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানান তিনি।

তবে উপদেষ্টাদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি।

বৈঠক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বাধাগুলোর প্রসঙ্গ তুলে ড. ইউনূস বলেন, “আমি শো-পিস হয়ে থাকতে আসিনি। কাজ করতে না পারলে পদত্যাগ করবো।” তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, এনবিআর পৃথকীকরণসহ বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

উপদেষ্টারা একযোগে তার পদত্যাগের বিরোধিতা করে বলেন, “দুই হাজার তরুণের রক্তের ওপর গঠিত সরকার ব্যর্থ হলে দেশ ব্যর্থ হবে।” এসময় তাকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

এর আগেও গত বছর জুলাই প্রোক্লেমেশন ইস্যুতে একবার পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন ড. ইউনূস। চলতি মাসের শুরুতে ছাত্র আন্দোলনের চাপে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ ঘোষণা ও জুলাই প্রোক্লেমেশন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয় সরকার।

বিএনপি ও জামায়াত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করলেও এনসিপি নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, সংকট সমাধানে আলোচনার পথ খোলা রয়েছে

মতামত দিন