রামুতে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রের ভাণ্ডার উদ্ধার, নারী আটক।
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একটি ডাকাতচক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগে এক নারীকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গর্জনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের থোয়াইংগাকাটা সামারঘোনা এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় ও নিরাপত্তা সূত্র জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, রামু থানা পুলিশ এবং গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা নুরুল আহম্মদের কন্যা জেসমিন সুলতানা রিয়ার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালান। অভিযানে সেখান থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুটি পুরোনো জংধরা পিস্তল, ছয় রাউন্ড চায়নিজ রাইফেলের গুলি, ৪৯ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, চারটি ব্যবহৃত শটগানের কার্তুজের খোসা, একটি বড় বন্দুকের বাঁটের অংশ, দুটি বড় ধারালো দা, একটি খেলনা পিস্তল, দুটি বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি কাটার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার ওরফে ল্যাং আবছার এবং ডাকাত রহিমের বলে ধারণা করা হচ্ছে। আটক জেসমিন সুলতানা রিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই ডাকাত দলের কার্যক্রমে সহযোগিতা করে আসছিলেন বলেও দাবি পুলিশের।
রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, অভিযুক্ত ডাকাত ল্যাং আবছার ও রহিম বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। আটক নারীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মতামত দিন