ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয় কার নির্দেশে জানাল ডিবি।
ঢাকার পল্টন এলাকায় গত ১২ ডিসেম্বর মোটরসাইকেলে এসে যুবলীগ নেতা ও মিরপুরের ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর নির্দেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিবি পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, হাদিকে হত্যা করা হয়েছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার কারণে।
হাদি হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার সময় শফিকুল ইসলাম বলেন, চার্জশিটে মোট ১৭ জনের নাম রয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকিদের এখনও খোঁজা হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকারীরা হাদিকে মাথায় গুলি করে পল্টনের বিজয়নগর এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। তাকে প্রথমে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানেই ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মতামত দিন