অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

বিমানবন্দরে দুবাইফেরত যাত্রীদের লাগেজ থেকে বিপুল সিগারেট ও নিষিদ্ধ ফর্সাকারী ক্রিম উদ্ধার।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের লাগেজ তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট ও নিষিদ্ধ ফর্সাকারী প্রসাধনী জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। উদ্ধার হওয়া পণ্যের আনুমানিক বাজারদর ৩০ লাখ টাকার বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুবাই থেকে আসা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে এই তল্লাশি চালানো হয়। পরদিন মঙ্গলবার বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, চার যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে মোট ৮৬৭ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে পাওয়া যায় ‘গৌরী’ নামের ৫০টি রং ফর্সাকারী ক্রিম, যা দেশে আমদানি নিষিদ্ধ পণ্যের তালিকাভুক্ত।

জব্দ করা ক্রিমটি পাকিস্তানে উৎপাদিত এবং দুবাই হয়ে বাংলাদেশে আনা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এর আগেই এই ব্র্যান্ডসহ কয়েকটি ফর্সাকারী ক্রিমে ক্ষতিকর পারদ ও হাইড্রোকুইনোনের উপস্থিতি শনাক্ত করে। স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে ২০২০ সালে এসব পণ্যের উৎপাদন ও আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, ব্যাগেজ বিধি অনুযায়ী একজন যাত্রী সর্বোচ্চ এক কার্টন সিগারেট শুল্কমুক্তভাবে বহন করতে পারেন। এর বেশি আনা আইনত দণ্ডনীয়। তাছাড়া সিগারেট আমদানির ক্ষেত্রে প্যাকেটে বাংলায় স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা বাধ্যতামূলক।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জব্দকৃত মালামাল চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। যাত্রী রেজাউল করিম, মিজানুর রহমান, রিদওয়ানুল হক ও মো. সালাউদ্দিনকে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল বলেন, যাত্রীদের মাধ্যমে নিষিদ্ধ পণ্য পাচারের চেষ্টা রোধে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

মতামত দিন