মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশা গ্রেপ্তার, কারণ জানালেন স্বামী।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে শাহজাহান রোডের বাসায় মা লায়লা আফরোজ ও মেয়ে নাফিসাকে হত্যা করার মামলায় অবশেষে আটক হলেন গৃহকর্মী আয়েশা। বুধবার দুপুরে বরিশালের নলছিটির কয়ার চর এলাকা থেকে মোহাম্মদপুর থানার নয় সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর আয়েশার স্বামী রাব্বী জানান, বাসার কিছু মালামাল নিয়ে পালানোর সময় গৃহকর্ত্রী তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। রাব্বীর ভাষ্যমতে, আয়েশা ধারণা করেছিল—কিছু টাকা-পয়সা আর মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে স্বামীর হাতে তুলে দিতে পারবে। কিন্তু ল্যাপটপ ও মোবাইল নেওয়ার সময় লায়লা আফরোজ তাকে দেখে ফেলায় ভয় পেয়ে পেছন থেকে ছুরি চালায়। রাব্বীর দাবি, “যতক্ষণ ধরে ছিল,ততক্ষণই মারছে। এরপর তার মেয়ে এগিয়ে আসলে তাকেও আঘাত করে।”
পুলিশ বলছে, ঘটনার মাত্র চার দিন আগে শাজাহান রোডের ৩২/২/এ নম্বর বাড়ির সপ্তম তলায় কাজ নেন আয়েশা। নিজেকে তিনি ‘আয়েশা’ নামে পরিচয় দিয়েছিলেন।হত্যার পর নাফিসার স্কুলড্রেস পরে বোরকা বদলে বাসা থেকে বেরিয়ে যান,যা পরে সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে।ঘটনার পর গৃহকর্তা এম জেড আজিজুল ইসলাম তাকে আসামি করে মামলা করেন।
গত সোমবার সকালে লাশ উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই গৃহকর্মী পলাতক ছিলেন। পুরো এলাকা জুড়ে তীব্র আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে—কি কারণে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটল? পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনাটির পুরো নির্মম চিত্র স্পষ্ট হবে।
মতামত দিন