অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

পরকীয়ার দ্বন্দ্ব থেকে বিএনপি কর্মীকে হত্যা,স্ত্রীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপি কর্মী সুমন খলিফা হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা কারণ, পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্টদের সনাক্ত করতে বেশি সময় লাগেনি পুলিশের। ঘটনার পরদিনই ওই হত্যার সূত্র ধরে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—যার মধ্যে সুমনের স্ত্রী সোনিয়া আক্তারও আছেন।

বুধবার জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী সাংবাদিকদের জানান, সোনিয়ার সঙ্গে মেহেদী হাসান ওরফে ইউসুফ নামের এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই সুমন–সোনিয়ার দাম্পত্যে অস্থিরতা তৈরি করছিল। সেই টানাপোড়েন থেকেই শেষ পর্যন্ত সুমনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নেয় তারা।

পুলিশ বলছে, ৩০ নভেম্বর রাতে পরিচিতজনদের মাধ্যমে সুমনকে ক্লাব থেকে বাইরে এনে একটি সিএনজিতে তুলে নেয় হত্যাকারীরা। এরপর তাকে চর কাশীপুর এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—সোনিয়া আক্তার, মেহেদী হাসান (ইউসুফ), আব্দুর রহমান, বিল্লাল হোসেন, আলমগীর হাওলাদার ও নান্নু মিয়া। পুলিশের দাবি, সোনিয়ার জবানবন্দির সূত্র ধরেই অন্যদের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি চাপাতি ও সুইচগিয়ার উদ্ধার করা হয়েছে।

১ ডিসেম্বর সকালে কাশীপুরের মধ্য নরসিংপুর এলাকা থেকে সুমনের ক্ষতচিহ্নে ভরা দেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন বরিশালের আগৈলঝড়া উপজেলার মন্টু খলিফার ছেলে। ঘটনার পরদিন রাতে তার বাবা ফতুল্লা থানায় মামলা করেন।

পুলিশের মতে, হত্যাকাণ্ডে আরও কেউ যুক্ত ছিল কিনা, তা যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে।

মতামত দিন