সাবেক মেয়র তাপসসহ পরিবারের ২১ ব্যাংক হিসাবে ১০ কোটি টাকা জব্দের আদেশ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও তার পরিবারের ব্যাংক লেনদেন সাময়িকভাবে থামিয়ে দিয়েছে আদালত। তাপস, তার দুই সন্তান—শেখ ফজলে নাশওয়ান ও শেখ ফজলে নাওয়ার—এবং ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে থাকা ২১টি হিসাবে এখন প্রায় ১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকার মতো রয়েছে।
এ আদেশটি আসে সোমবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত থেকে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস রহমান আদালতে আবেদন করার পরই হিসাবগুলো জব্দের নির্দেশ হয়—এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আদালতের সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, তাপসের মোট সম্পদের হিসাব এখনো পুরোপুরি নির্ধারণ করা যায়নি।তবে তার ব্যক্তিগত হিসাবের বাইরে সন্তান ও কিছু স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামে থাকা একাধিক হিসেবে সন্দেহজনক অর্থ লেনদেন পাওয়া গেছে। তদন্তের মধ্যে এসব টাকা যেন অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া বা গোপন করা না যায়, সে জন্য অবরুদ্ধ রাখাকে জরুরি মনে করেছে সংস্থাটি।
এ বছরের জানুয়ারিতে তাপসকে অভিযুক্ত করে দুদক যে মামলাটি করে, সেখানে তার বিরুদ্ধে ৭৩ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
মামলার তথ্য অনুসারে,২০১৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তার বিভিন্ন হিসাবে অস্বাভাবিক অঙ্কের টাকা ঘুরে বেড়িয়েছে—জমা প্রায় ৩০৪ কোটি, উত্তোলন ২৩৪ কোটির মতো। সব মিলিয়ে ব্যাংক লেনদেন ছাড়িয়েছে পাঁচ শত কোটি টাকা। ডলারে লেনদেনও চোখে পড়ার মতো—৫ লাখের বেশি মার্কিন ডলার জমা-উত্তোলনের হিসাব পাওয়া গেছে, যা দুদকের ভাষায় যথেষ্ট প্রশ্ন তৈরি করে।
মতামত দিন