অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

বর্ষার কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়েও শেষ রক্ষা হয়নি জোবায়েদের।

নিজেস্ব প্রতিবেদক:

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতাকে হত্যা করার সময় ঘটনার স্থলে ছিলেন বর্জিস শাবনাম বর্ষা। এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, বর্ষার কথাবার্তায় যোগ করে মাহীর ও তার সহযোগী আয়লানসহ আরও দুই-তিন জন টুকিটাকি দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

নজরুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন মাহীর বর্ষাকে বলেছিল—তুমি যদি জোবায়েদকে সরাতে না বল, তবে তোমার কাছে ফিরে আসতে পারব না—এই প্রেক্ষিত থেকেই পরিকল্পনা বেরোয়। পরে মাহীর জোবায়েদকে বর্ষার কাছ থেকে সরাতে বললে দ্বিতীয়পক্ষের সঙ্গে তর্কবিতণ্ডা বাড়ে; সেই সংঘাত শেষ পর্যন্ত হত্যায় জড়ায়।

লালবাগ জোনের ডিসি মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী ব্রিফিংয়ে আরও বলেন, জোবায়েদ প্রথমে মারা যাননি—তারপর বাঁচার জন্য দোতলা থেকে উপরে উঠার চেষ্টা করেন। ওই সময় বর্ষা ওই ভবনের উপরের তলায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। ঊর্ধ্বতন তলায় তাকে দেখে জোবায়েদ সাহায্যের আকুতি জানান, কিন্তু বর্ষা সাহায্য না করে মাহীরের প্রতি আনুগত্যের আকাঙ্খা ব্যক্ত করে চলে যান। পরে জোবায়েদের মৃত্যু নিশ্চিত করে বাইরে যান  বর্ষা—এমন তথ্য উল্লেখ করেন ডিসি।

পুলিশি প্রেস ব্রিফিংয়ে নিহত ছাত্রের পাশে থাকা ব্যক্তিদের বক্তব্য ও সিসি ফুটেজ পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই এই বিবরণ জানানো হয়েছে বলেও ডিএমপি সূত্র জানায়। তদন্ত এখনো চলমান; অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে—সিসিবি ও সাক্ষীদের উত্থাপন সহ আইনি প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।

মতামত দিন