কারাগারে থেকেও মানসিকভাবে শক্ত আছেন এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে চান পলক।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ৫ আগস্ট গ্রেপ্তারের পর থেকে কারাগারে আছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। শুরুতে তিনি ছিলেন বিষণ্ণ, আদালতে এসে বলতেন—‘ভালো লাগছে না’।
সকালে সাড়ে ৯টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় তাকে আদালতে আনা হয়। সঙ্গে ছিলেন সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও সাবেক পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। হাজতখানায় কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে তাদের আদালতে তোলা হয়।
নির্বাচনে অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে পলক হেসে সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, “সব কিছুরই একটা শেষ আছে।” কাছের আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি যোগ করেন, “আগে মন খারাপ থাকত, এখন আর হয় না। এখানে মানিয়ে নিয়েছি।”
বনানী থানার উপপরিদর্শক মো. ইয়াছির আরাফাত আদালতে জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর বনানীতে এক শ্রমিক নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পলকসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
পলকের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম জানান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী এখন শারীরিকভাবে ভালো আছেন, তবে কারাগারে কিছু প্রয়োজনীয় সুবিধা থেকে তিনি বঞ্চিত। এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুর ঘটনায় কিছুটা উদ্বেগ থাকলেও, এখন তিনি মানসিকভাবে প্রস্তুত ও আত্মবিশ্বাসী।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বছরের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে শ্রমিক মো. শাহজাহান গুলিবিদ্ধ হন। চার দিন পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শাহজাহানের মা সাজেদা ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মতামত দিন