ভাঙ্গার সহিংসতার পেছনে নিক্সনের উসকানি দায়ী :দাবি পুলিশের।
পুলিশ জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন পুনর্নির্ধারণে ভাঙ্গার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন ফরিদপুর-৪ থেকে বাদ দিয়ে ফরিদপুর-২ আসনে যুক্ত হয়। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয়রা ৫ সেপ্টেম্বর থেকে মহাসড়কে নানা কর্মসূচি শুরু করে। সেই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে নিক্সন চৌধুরী ধারাবাহিকভাবে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং আন্দোলনকে আরও ঘনীভূত করার চেষ্টা করেন।
৯ সেপ্টেম্বর দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ আখ্যা দেন এবং তার অনুসারীদের নির্দেশ দেন দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাস্তাঘাট বন্ধ রাখতে। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পেলে আন্দোলনে সাধারণ মানুষও জড়িয়ে পড়ে।
এর ফলেই ১৫ সেপ্টেম্বর ভাঙ্গায় ব্যাপক সহিংসতা ঘটে। আন্দোলনকারীরা ভাঙ্গা থানা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর, নির্বাচন অফিস ও কৃষি অফিসে ভাঙচুর চালায় এবং সরকারি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে অভিযোগ করেছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বর নিক্সন চৌধুরী নতুন আরেকটি ভিডিও বার্তায় আবারও সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে অবৈধ উল্লেখ করেন এবং পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করেন।
এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আজাদুজ্জামান বাদী হয়ে মামলা করেছেন। এতে নিক্সন চৌধুরীকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে। হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোকন মিয়া মামলার দ্বিতীয় আসামি।

মতামত দিন