আদালতের কাঠগড়ায় গলায় ব্লেড চালিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামির আত্মহত্যার চেষ্টা।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. সালাউদ্দিন জানিয়েছেন, যুবকের শ্বাসনালিতে আঘাত লেগেছে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
মুন্নার বাবা আব্দুল আলীর দাবি, তার ছেলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি ‘মিথ্যা’। তিনি বলেন, “আমার ছেলে কয়েক মাস ধরে কারাগারে। আজ তার জামিন শুনানি ছিল। তখনই সে গলায় ব্লেড চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।”
তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. সাজ্জাদ হোসেন সবুজ জানান, ২০২২ সালের জুনে কদমতলীতে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেন মুন্না।মেয়েটির বাবা অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। আজ ভুক্তভোগীর জেরা চলাকালে সে বলেন, অভিযুক্তের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক ছিল না।
এদিকে আদালতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য সাইফুর রহমান জানান, কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকাকালে মুন্নাকে একটু অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। একপর্যায়ে তিনি সামান্য দূরে সরে গিয়ে গলায় ব্লেড চালিয়ে দেন। রক্তপাত দেখে পুলিশ দ্রুত তাকে ধরে ফেলে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে একটি রেজারের ব্লেড উদ্ধার করা হয়েছে।
আত্মহত্যার চেষ্টার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মতামত দিন