মুন্সীগঞ্জে যমজ দুই শিশুকে পানিতে ফেলে হত্যা।
বুধবার (৯ জুলাই) আদালতে জবানবন্দি দেয়া ওই মা জানিয়েছেন, স্বামী সোহাগ শেখের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে তাদের সম্পর্ক ভালো ছিল না। সন্তান জন্মের পর থেকে স্বামীর অবহেলা, অশান্তি ও মারধরের কারণে মানসিক চাপের মুখে ঘটনাটি ঘটিয়েছেন তিনি। শান্তা বেগম বলেন, রাগে ছোট মেয়ে সামিয়াকে প্রথমে পানিতে ফেলে দেন, পরে বড় মেয়ে লামিয়াকেও পানিতে ডুবিয়ে দেন। পরে নিজের স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সবাইকে বলেছিলেন স্বামীই হত্যাকারী।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই বছর আগে পারিবারিকভাবে বিবাহ হয় শান্তা ও সোহাগের। সন্তান জন্মের পর সংসারে আর্থিক কষ্ট ও কলহ বাড়ে। দুই শিশুর খোঁজ না পাওয়ার পর সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা বিল থেকে শিশু দুটিকে উদ্ধার করেন, যাদের হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয়।
পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সালমান রহমান জানিয়েছেন, মোবাইল লোকেশন ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দেখা গেছে, শিশুর বাবা সোহাগ ঘটনার সময় বাজারে ছিলেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে শান্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্তান হওয়া নিয়েও বাবার অসন্তোষ ও পারিবারিক কলহের কারণে মা ক্ষিপ্ত হয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এখন ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে।

মতামত দিন