এস আলম গ্রুপের শত কোটি টাকার সম্পদ ও শেয়ার ক্রোকের আদেশ।
আদালতের নির্দেশে রাজধানীর মতিঝিল এলাকার একটি চারতলা বাণিজ্যিক ভবনসহ ৫ কাঠা ৯ দশমিক ৯০ ডেসিমেল জমি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জমিটি এস আলম ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফারজানা পারভীনের নামে ২০২৩ সালের আগস্টে ক্রয় করা হয়েছিল।
এছাড়া, ক্রোকের আওতায় এসেছে—
-
এস এস পাওয়ার লিমিটেডের ৫৮ কোটি টাকার বেশি মূল্যের শেয়ার
-
সোনালী কার্ডো লজিস্টিক লিমিটেডের প্রায় ১১৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার
-
চট্টগ্রামের বাঁশখালী এলাকার গন্ডামারা ও আলকডিয়া মৌজার ৩১ হাজার ডেসিমেলেরও বেশি জমি ও স্থাপনা
-
প্রতিষ্ঠানগুলোর যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও অন্যান্য সম্পদ
এছাড়াও, গুলশান সার্কেল-১ এলাকার একটি ব্যাংকে থাকা এস এস পাওয়ার লিমিটেডের তিনটি ব্যাংক হিসাবেও আদালত ক্রোকাদেশ দেন। হিসাবগুলোতে জমা রয়েছে—১০২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা, ৩৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং ৭৭৮ টাকা ৩১ পয়সা।
আদালতের নথি অনুযায়ী, ক্রোকাদেশ পাওয়া এসব সম্পদের মালিক এস আলম গ্রুপের তিনটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান—এস আলম সিমেন্ট, এস আলম ভেজিটেবল ওয়েল ও সোনালী কার্ডো লজিস্টিক লিমিটেড।
গত ২২ জুন ইসলামী ব্যাংকের চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে দায়ের করা মামলায় এ আদেশ চাওয়া হয়। মামলায় এস আলম ভেজিটেবল ওয়েলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম, চেয়ারম্যান ফারজানা পারভীন, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং অন্যান্য শেয়ারহোল্ডারদের বিবাদী করা হয়েছে।
আর্থিক খাতে আলোচিত এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে এ ধরনের বড় পরিসরের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ নজর কেড়েছে ব্যবসায়ী মহলে। বিচারাধীন মামলাটি এখন পর্যবেক্ষণে রয়েছে।
মতামত দিন