কারচুপি ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক সিইসি হাবিবুল রিমান্ড শেষে কারাগারে।
রিমান্ড শেষে ডিবির পক্ষ থেকে তাকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষও জামিনের বিরোধিতা করে। শুনানি শেষে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।
২৫ জুন মগবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ। পরদিন আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই মামলায় সাবেক সিইসি কেএম নুরুল হুদা দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে রয়েছেন।
মামলাটি করা হয় গত ২২ জুন শেরেবাংলা নগর থানায়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনগুলো নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং সরকারের সঙ্গে মিলে ভয়ভীতি ও দমন-পীড়নের মাধ্যমে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে নির্বাচনের ফল নিজেদের ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করেছে।
মামলার অভিযুক্তদের তালিকায় আছেন তিনজন সাবেক সিইসি—কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ,এ কে এম নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল। এছাড়া সাবেক পাঁচ পুলিশ মহাপরিদর্শকও আসামি হয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের চাপের মুখে ভুয়া ভোটগ্রহণে বাধ্য করা হয়।ফলে জনগণের প্রকৃত ভোট প্রকাশ পায়নি। মামলায় এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করা হয়েছে।
এদিকে আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গেছে।মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মতামত দিন