অপরাধ
ছবি: সংগৃহীত

চৌহালীতে খামারি খুন, গরু ডাকাতি: ৭ ডাকাত গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলে খামারিকে হত্যা ও গরু ডাকাতির ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাতচক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে একটি চোরাই ষাড় গরু উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ২০ মে রাতে মুরাদপুর এলাকার কাউলিয়ার চরে ৬৫ বছর বয়সী খামারি তারা মিয়া ও তার নাতি ইব্রাহিম খলিল গরু পাহারায় যান। রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়লে গভীর রাতে ১০-১২ জনের একদল ডাকাত ছাপড়া ঘরে ঢুকে অস্ত্রের মুখে তাদের হাত-পা বেঁধে ফেলে। ডাকাতেরা দুটি ষাড় ও একটি গাভী গরু নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরদিন সকালে স্থানীয়দের সহায়তায় বাঁধন খুলে ইব্রাহিম তার দাদাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, মুখে গামছা গুঁজে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর চৌহালী থানায় হত্যা ও ডাকাতির মামলা হয়।

পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেনের সরাসরি তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শাহজাদপুর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে জেলা ডিবির একটি চৌকস দল তদন্তে নামে। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন—
১. ইউসুফ আলী (২৮), বেলকুচি, সিরাজগঞ্জ
২. শাহ আলম (৪০), কালিহাতী, টাঙ্গাইল
৩. হাসান মন্ডল (২৫), চর কুমলি, টাঙ্গাইল
৪. আমির হোসেন (৪৫), চর কুমলি, টাঙ্গাইল
৫. শাহিদ ওরফে সাঈদ (৪১), ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল
৬. আব্দুল মালেক (২৮), খয়াপাড়া, সিরাজগঞ্জ
৭. ইসমাইল ব্যাপারী (৫৩), ধুলবাড়ী, টাঙ্গাইল।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, ১৭-১৮ জনের দল দুইটি নৌকায় করে চরে পৌঁছে ডাকাতি করে। তারা খামারি ও তার নাতিকে বেঁধে রেখে গরু নিয়ে পালায় এবং পরে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে। টাকাটা ভাগ করে নেয় ৫ হাজার টাকা করে।

সাতজনই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

মতামত দিন