দেবহাটায় চাঁদাবাজির অভিযোগে ৩ সমন্বয়ক সেনাবাহিনীর হাতে আটক।
জানা গেছে, দুপুরের দিকে পাঁচ ব্যক্তি নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে রব্বানী ও তার ভাইয়ের ঘরে ঢোকেন। ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানের একপর্যায়ে দুই ব্যক্তি পালিয়ে গেলে বাকি তিনজনকে আটকে রাখা হয় এবং সেনাবাহিনীকে খবর দেওয়া হয়। সেনাবাহিনীর একটি টহল দল এসে তাদের আটক করে হেফাজতে নেয়।
আটকদের মধ্যে পরিচিত হয়েছেন নাহিদ হাসান (বহেরা, দেবহাটা), আব্দুর রহিম (কৈখালি, শ্যামনগর) ও আব্দুর রহমান (আশাশুনি)।
ইউপি সদস্য রব্বানী বলেন, “ওরা নিজেদের পুলিশ বলে পরিচয় দেয়। কিন্তু আচরণ সন্দেহজনক ছিল।আমার ঘরে ঢুকে হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করে। পরে স্থানীয়রা টের পেয়ে সেনাবাহিনীকে জানালে তারা এসে ধরে নিয়ে যায়।”
অন্যদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। দেবহাটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মুজাহিদ বিন ফিরোজ বলেন,“রব্বানীর বিরুদ্ধে আমাদের কাছে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল।সেসব যাচাই করতে সমন্বয়করা গিয়েছিলেন। এখন তাদের ফাঁসানো হচ্ছে মিথ্যা মামলায়।”
এ ঘটনায় ইউপি সদস্যের পরিবার দেবহাটা থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন,“সেনাবাহিনী যেহেতু ঘটনাস্থল থেকে লোকজন ধরে নিয়ে গেছে, তারা আমাদের কাছে হস্তান্তর না করা পর্যন্ত আমরা কিছু বলতে পারছি না।”
ঘটনার সত্যতা যাচাই ও আইনি প্রক্রিয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে তদন্ত চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

মতামত দিন